×

গ্ৰাস করবে অর্থনৈতিক সংকট, ভুল করেও বাথরুমে করবেন না এই কাজ

বাথরুমের মধ্যে ভুলেও করবেন না এই কাজ হতে পারে মহা বিপদ।

একটি গৃহের বিশেষত্ব শুধু বেডরুম, লিভিংরুম, ড্রয়িংরুমের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে না, গৃহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কক্ষ হল রান্নাঘর এবং বাথরুম। তাই একটি গৃহের সব কক্ষই সমান গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, সুখী সংসারের জন্য যেমন বেডরুমের উপর নজর দেওয়া জরুরি, তেমনি বাথরুমের দিকেও নজর দেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাথরুমেও লুকিয়ে রয়েছে বাস্তুদোষ।

যার ফলে জীবনে কষ্ট, অশান্তি ঝঞ্ঝাট কিছুতেই কাটবে না, এমনকী কর্মক্ষেত্রেও জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী বাথরুমেও রয়েছে বেশ কয়েকটি বাস্তু নিয়ম। যেগুলি না মানলে ঘনিয়ে আসতে পারে অন্ধকারের ছায়া। ইতিবাচক শক্তির পরিবর্তে নেতিবাচক শক্তির দেখা দিতে পারে। যার ফলে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা, বাধা-বিপত্তি ও দুর্ঘটনা কিছু থেকেই মুক্ত পাওয়া সম্ভব নয়। আজকের প্রতিবেদনে জানানো হবে, কী কী মেনে চললে জীবন নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়বে না। বরং পজিটিভ শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে সংসারের সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে থাকবে।

বাথরুম সবসময় ঘরের উত্তর বা উত্তর পশ্চিম দিকে তৈরি করা উচিত, বাথরুমের দরজা সবসময় বন্ধ রাখা উচিত।

বাথরুমের লুক সতেজ ও স্বাস্থ্যকর রাখতে ইনডোর প্ল্যান্ট ব্যবহার করা উচিত। যার ফলে বাথরুমের মধ্যে পজিটিভিটি বজায় থাকবে।
কমোডের ঢাকনা ব্যবহার করার পর সর্বদা বন্ধ করে রাখবেন।

বাথরুমে যেন সর্বদা রোদ হাওয়া খেলা, সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। বাথরুমে সাদা রঙের আলোর ব্যবহার করা প্রয়োজন। এতে বাথরুমের পরিবেশ স্বাস্থ্যকর হবে। এছাড়া বাথরুমের কখনই খালি বালতি রাখবেন না, তাহলে দেখা দিতে পারে আর্থিক সমস্যা ও গোলযোগ।

সবসময় বাথরুম পরিষ্কার করে রাখা উচিত। এমনকি ঝাঁটাও রাখা উচিত নয় বাথরুমের ভিতরে। এক্ষেত্রে অশুভ শক্তি ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা থাকে। এছাড়া বাথরুমের মধ্যে সুইচ বোর্ড, গিজার, ফ্যান ইত্যাদি বৈদ্যুতিক বস্তু সর্বদা দক্ষিণ পূর্ব দিকে রাখা উচিত।

Related Articles