×

এইভাবে মাছ ভাজলে ভাঙবে না আর স্বাদ হবে দুর্দান্ত, গরম ভাতের সাথে জাস্ট জমে যাবে

বাঙালি হোক বা অবাঙালি হোক প্রতিটি বাঙালি বা অবাঙালি পরিবারে মাছ লাঞ্চ বা ডিনারে চাই চাই।

বাঙালি হোক বা অবাঙালি হোক প্রতিটি বাঙালি বা অবাঙালি পরিবারে মাছ লাঞ্চ বা ডিনারে চাই চাই। প্রতিদিন মাংস না থাকলেও মাছটা খেতেই হবে। একটা গুরুত্বপূর্ণ খাবার হল মাছ। তবে মাছ খেলেও মাছের বিষয়ে অনেক তথ্যই আপনাদের কাছে অজানা।
জানেন কি, মাছের চামড়া ও মাংসের প্রকৃতি বিবেচনায় তিনটি ক্যাটেগরি তে ভাগ করা যায়।

হোপাতলায়াইট ফিশ বা সাদা মাছ: এই মাছগুলির চামড়া হয় এবং আঁশ থাকে না। এই জাতীয় মাছের মধ্যে পড়ে কড, সোল, হ্যাডক, দেশি আইড়, বোয়াল, পাঙ্গাস ইত্যাদি। তবে এই মাছগুলি দেশী কায়দায় ভাজতে গেলে মাছের স্বাদ এবং সৌন্দর্য দুটোই নষ্ট হয়। তবে ব্যাটার ফ্রাইড বা ব্রেড ক্রাম্বে কোট করে ভাজলে ভাল লাগে। এছাড়া কড মাছ ব্রিটেনের বিখ্যাত মাছ। এই মাছের ভুনা বা ঘন ঝোল ভালো লাগে, এই মাছের রান্নায় পেঁয়াজের সঙ্গে আদা রসুন বাটাও দেওয়া যায়।

আঁশযুক্ত মাছ: যেমন সানমন, ট্রট, কার্প ,রুই,কাতল, মৃগেল, শোল, গজার, মেনি, খলিশা, পুতি, সরপুটি ইত্যাদি। এই মাছগুলি ভাজা বা ঘন ঝোলেও ভালো লাগে।

শেল ফিশ : যেমন চিংড়ি, মাসলস, ওয়েস্টার ইত্যাদি। এগুলি খুব বেশি সময় ধরে ভাজতে বা রান্না করতে হয় না।

তবে মাছ ভাজার সময়ে কড়াইতে যাতে না লেগে থাকে, তার উপায়!

১. মাছ ভাজার সময় খুব ভাল করে জল দিয়ে ধুয়ে কিচেন টিসু দিয়ে ভালো করে হলুদ, লঙ্কা আর লবন লাগিয়ে রাখুন মাছের গায়ে। মাছের জলসহ তেলে দিলেই তেল ছিটা শুরু হবে। এছাড়া মাছ ভাজার সময় তেল টা ভাল গরম হতে দিতে হবে প্রথমে। সর্বদা মাঝারি আঁচে মাছ ভাজুন। এক পিঠ ভাল মতো ভেজে উল্টাতে যাবেন না। তাতে মাছ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া মাছ সব সময় একটু বেশি তেলে ভাজতে হবে।

Related Articles