×

‘কোই মিল গয়া’ সিনেমার ছোট্ট মেয়েটি এখন পরিপূর্ণ সুন্দরী যুবতী, সৌন্দর্যে হার মানাবে বলিউড নায়িকাদেরও

‘কোই মিল গয়া’ সিনেমার ছোট্ট মেয়েটি এখন পরিপূর্ণ সুন্দরী যুবতী, সৌন্দর্যে হার মানাবে নামি দামি নায়িকাদের।

আজকাল অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি শিশুশিল্পীরাও খুব সহজেই আকর্ষণ ছিনিয়ে নিচ্ছে দর্শকদের। বিশেষ করে এক একটা ছবিও নির্মিত হচ্ছে শিশুশিল্পীদের আগলে। সিরিয়াল হোক বা চলচ্চিত্র নায়ক-নায়িকার পাশাপাশি শিশুশিল্পীদেরও আকর্ষণ খুব কম নয়। বলিউডে স্বর্ণযুগ থেকেই এক একজন শিশুশিল্পী দারুণ রাজত্ব করছে। যাঁদের মধ্যে এখন অনেকেই বড় হয়ে নায়িকার চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন। যাঁদের মধ্যে একজন হংসিকা মোতওয়ানি।

যাকে আপনারা হৃতিক রোশন এবং প্রীতি জিন্টা অভিনীত সুপারহিট চলচ্চিত্র ‘কোই মিল গ্যায়া’-তে দেখেছেন। এছাড়াও হংসিকা খুব শৈশবেই মডেলিং কেরিয়ার শুরু করেন। ২০০১ সালে ‘সাকা লাকা বুম বুম’ সিরিয়ালের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ তাঁর। একই বছর ‘দেশ মে নিকলা হোগা চাঁদ’, ‘সোন পরী’, ‘করিশ্মা কা করিশ্মা’ ‘হাম দো হ্যায় না’-র মতো একাধিক সিরিয়ালে অভিনয় করেছেন তিনি। শিশুশিল্পী হিসাবে একাধিক বলিউড ছবিতেও কাজ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিন্দি ফিল্ম ‘জাগো’।

এখন তিনি একেবারে যুবতী। কিছুদিন আগেই গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি দীর্ঘদিনের প্রেমিক সোহেল কাঠুরিয়ার সঙ্গে। ‘জাগো’ ছবিতে নাবালিকার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন হংসিকা। নৃশংসভাবে ধর্ষিতা হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। ফিল্মে হংসিকার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রবীনা ট‍্যান্ডন (Raveena Tandon)। এছাড়াও ২০০৭ সালে ‘আপ কা সুরুর’ ফিল্মে নায়িকা হিসাবে ডেবিউ করেন হংসিকা। দক্ষিণী চলচ্চিত্রেও তাঁর বেশ নাম-ডাক। যদিও তাঁর ডেবিউ ফিল্ম বক্স অফিসে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিল। ২০০৮ সালে তাঁর অভিনীত হিন্দি ফিল্ম ‘মানি হ্যায় তো হানি হ্যায়’ মুক্তি পেয়েছিল। তাও ডাহা ফ্লপ হয়।

এরপর থেকে দক্ষিণ ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় শুরু করেন হংসিকা। কন্নড়, তামিল, তেলেগু, মালয়ালম চার ভাষাতেই অগুণতি ছবি করেন হংসিকা। এছাড়াও হিন্দি ও পঞ্জাবি ভাষায় বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওয় অভিনয় করেছেন হংসিকা। এছাড়াও সোশ্যাল ওয়ার্কার হিসাবেও হংসিকা দারুণ খ্যাত।ব্রেস্ট ক্যান্সার সচতনতা বিষয়ক কাজে রয়েছে হংসিকার যথেষ্ট অবদান। এছাড়াও তিনি ‘চেন্নাই টার্নস পিঙ্ক’ প্রজেক্টের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর।

Related Articles