×

‘স্তনের সাইজ নিয়েও আমাকে কথা শুনতে হয়েছিল’, বিস্ফোরক বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে

অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে (Radhika Apte), মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রথম সারির অভিনেত্রী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত ভাইরাল হচ্ছে তারকাদের এক একটা রোমাঞ্চকর ছবি। যেখানে সেলিব্রিটিদের আপত্তিকর দৃশ্যের ভিডিও বা ছবিও ভাইরাল হতে সময় লাগেনা। আসলে এক একটা ভিডিও মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠলেই তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। সঙ্গে পপুলার হয়ে যায় সেই ভিডিওর মালিকও। এখানে সেলিব্রিটি থেকে আমজনতা সবার গোপন ভিডিও ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। সেলিব্রিটিদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা খুব একটা ভয়ঙ্কর না হলেও আমজনতার কাছে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময়ে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত ভিডিও এতটাই ভাইরাল হয়ে যায় যে, তখন পরিবারের লজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করতে হয়। এক এক সময় তারকাদের গোপন এমএমএস থেকে বাথরুমের ভিডিও সবটাই নেটপাড়ার দুর্দান্ত গসিপ বনে যায়।

অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে (Radhika Apte), মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির একজন প্রথম সারির অভিনেত্রী। যদিও তাঁর হাতেখড়ি রজনীকান্তের দক্ষিণের কাবালি ছবির মাধ্যমে। এরপর থেকেই তিনি পরিচিত হতে শুরু করেন। এছাড়াও মাঝে মধ্যেই নানারকম বিতর্কের কারণে খবরের শিরোনাম হন তিনি। তামিলনাড়ুর ভেলোরে জন্ম তাঁর। বাবা-মা দু’জনেই ভেলোরের ক্রিশ্চিয়ান মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের চিকিৎসক। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে হয়েও রাধিকা কেরিয়ার হিসেবে অভিনয় জীবনকেই বেছে নিয়ে ছিলেন। পড়াশোনাতেও তিনি দারুণ মেধাবী। পুণের ফার্গুসন কলেজ থেকে অর্থনীতি এবং অঙ্ক নিয়ে স্নাতন করেন তিনি। আট বছর বয়স থেকে রোহিণী ভাটের কাছ থেকে তিনি কত্থক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

২০১১ সালে স্বামী মিউজিসিয়ান বেনেডিক্ট ট্রেলরের সঙ্গে তাঁর পরিচয়। তার পরেই প্রেম, বিয়ে। ২০১৩ সালে বিয়ে করেন তাঁরা। বলিউডে একাধিক সুপারহিট চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি, এছাড়াও বাংলা চলচ্চিত্র অন্তহীন, মাঝি, সুজয় ঘোষের একটি ছোট ডকুমেন্টারী অহল্যাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। তবে কেরিয়ারের শুরুর দিকে অনেক অভিনেতাকেই কঠিন মুহূর্তের মধ্যে যেতে হয়। যেখানে ব্যতিক্রম নন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তেও। রাধিকাকেও শুনতে হয়েছিল, অভিনয়ের জন্যে তিনি মোটেও উপযুক্ত নন। সম্প্রতি এই বিষয়টি একটি সাক্ষাৎকারে রাধিকা জানিয়েছেন, প্রথমেই তাঁকে নাকে সার্জারি ও বোটক্স করতে বলা হয়েছিল। স্তনেরও মাপ নিয়েও কথা শুনতে হয়েছিল। এমনকী অস্ত্রোপচারের পরামর্শও দিয়েছিলেন একজন।

এরপর অভিনেত্রী বলেন, “আমায় বলা হল নাকে সার্জারি করতে। পরের মিটিংটায় গেলাম। আমায় স্তনের অস্ত্রোপচার করতে বলা হল। কখনো পায়ে, কখনো চোয়ালে, কখনো গাল ভরাট করতে বলা হল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। ৩০ বছর বয়সে আমি চুলে রং করেছি। আমি এসবের জন্য একটা ইনজেকশনও নিই নি। তবে রেগে গিয়েছিলাম। তবে এই বিষয়গুলি আমাকে আমার শরীর নিয়ে আরও ভালবাসতে সাহায্য করেছে। প্রকৃতির সৃষ্টির বিপরীতে যেতে চাইনি কখনই। না করে দেন বন্ধুকেও। এমনকী চার পাশে বহু তারকাকে অস্ত্রোপচার করতে দেখে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম মাঝে।”

Related Articles